
কথা২৪ । বরিশাল প্রতিনিধি
এর আগেই প্রেমিক যুবক মইনুল ইসলাম হিমু (৩০) পালিয়ে গেছেন। শহরের অভ্যন্তরে একটি আবাসিক ফ্ল্যাটে ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ড আশেপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে রাফি মঞ্জিল নামক ছয়তলা ভবনের অন্যান্য ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা এই ঘটনার পর বিশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
পুলিশ এবং বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পেগাসিয়া গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য মহসিন কবিরের মেয়ে সাজনিদা কবির আনিকার সাথে ঝালকাঠির কাটপট্টির মিল্টন আকনের ছেলে মইনুল ইসলাম হিমুর একটি হৃদয়ঘটিত সম্পর্ক ছিল। সানজিদা মাঝে মাঝে হিমুর বরিশালের বগুড়া রোডের ওই বাসায় আসতেন। উল্লেখযোগ্য, রাফি মঞ্জিলের ছয়তলার এই ফ্ল্যাটে হিমুর বৃদ্ধ মা বসবাস করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে মেয়েটি হিমুর বাসায় আসেন। পরে বিকেল ৩টার দিকে থানায় খবর আসে যে হিমু তার প্রেমিকাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। এই ঘটনার পর হিমুর মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে, যা পরিস্থিতির রহস্যজনকতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, নিজেদের মধ্যকার সম্পর্কের তিক্ততা নিয়ে যুবতীকে হত্যা করা হয়েছে। সম্ভাব্যভাবে তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অভিযুক্ত মইনুলকে আটক করা এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসা না পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল-মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, এই প্রাণবিয়োগের ঘটনার প্রাথমিক বিবেচনায় এটি একটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তরুণীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়াও, এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত তরুণীর প্রেমিক মইনুলকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ইতোমধ্যেই অভিযান শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।